আওয়ামী লীগের সঙ্গী খোঁজার দরকার নেই: ওবায়দুল কাদের
নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা
প্রকাশ: ২৭ নভেম্বর ২০২৩, ১৪: ১৮
আজ সোমবার (২৭ নভেম্বর) শহীদ ডা. মিলন দিবসে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এসব কথা বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
১৯৯০ সালের এই দিনে (২৭ নভেম্বর) স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী গণ-আন্দোলনের একপর্যায়ে চিকিৎসকনেতা শামসুল আলম খান মিলন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) সামনে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন। সেদিনই দেশে জরুরি আইন ঘোষণা করা হয়।
কিন্তু জরুরি আইন, কারফিউ উপেক্ষা করে ছাত্র-জনতা মিছিল নিয়ে বারবার নেমে আসেন রাজপথে। একপর্যায়ে স্বৈরশাসকের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়। সেই থেকে প্রতিবছরের ২৭ নভেম্বরকে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন শহীদ ডা. মিলন দিবস হিসেবে পালন করে আসছে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য গতকাল রোববার আওয়ামী লীগ ২৯৮টি আসনে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে। দলীয় মনোনয়নের তালিকা অনুযায়ী, শরিকদের অনেকের আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ঘোষণা করেছে। তবে দলটি মাত্র দুটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেনি। এর ফলে আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে কোনো জোট থাকবে কি না, সেই প্রশ্ন উঠেছে। এ ছাড়া এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীরা ছাড় পেতে পারেন।
এসব বিষয়ে ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেন, নতুন নতুন সময়ে নতুন নতুন কৌশলও দলকে গ্রহণ করতে হয়। এ সময়ে যে কৌশল দরকার, নেত্রী সে কৌশল ঠিক করেছেন। দলের অবস্থান অনুযায়ী, ভবিষ্যৎ মাথায় রেখে দলীয় নেতৃত্ব সিদ্ধান্ত নেন এবং দেন।
কিন্তু জরুরি আইন, কারফিউ উপেক্ষা করে ছাত্র-জনতা মিছিল নিয়ে বারবার নেমে আসেন রাজপথে। একপর্যায়ে স্বৈরশাসকের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়। সেই থেকে প্রতিবছরের ২৭ নভেম্বরকে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন শহীদ ডা. মিলন দিবস হিসেবে পালন করে আসছে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য গতকাল রোববার আওয়ামী লীগ ২৯৮টি আসনে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে। দলীয় মনোনয়নের তালিকা অনুযায়ী, শরিকদের অনেকের আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ঘোষণা করেছে। তবে দলটি মাত্র দুটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেনি। এর ফলে আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে কোনো জোট থাকবে কি না, সেই প্রশ্ন উঠেছে। এ ছাড়া এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীরা ছাড় পেতে পারেন।
এসব বিষয়ে ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেন, নতুন নতুন সময়ে নতুন নতুন কৌশলও দলকে গ্রহণ করতে হয়। এ সময়ে যে কৌশল দরকার, নেত্রী সে কৌশল ঠিক করেছেন। দলের অবস্থান অনুযায়ী, ভবিষ্যৎ মাথায় রেখে দলীয় নেতৃত্ব সিদ্ধান্ত নেন এবং দেন।
